Responsive Advertisement

ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

কালো মেয়েদের এই জগতে কেও পাত্তাই দিতে চায় না.কারণ কালো মেয়েরা দেখতে খারাপ হয়।কিন্তু মানুষ তাদের চেহারার গঠন দেখেনা ।আর তাই বিভিন্ন সময়ে তাদের লজ্জার মুখোমুখি হতে হয়.এতে নিজেকেও খারাপ লাগে.তাই আপনারা জানতে চেয়েছেন যে ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম কী?আরো অনেকেই অনেক প্রশ্ন করেছেন যে স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় কী ?আরেক  পাঠক বলেছেন যে স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম এর নাম কি ?আজকে আমরা এই আর্টিকেল এ লিখেছি যে কিভাবে আপনারা ফর্সা হবেন সেটা যেভাবেই হউক না কেন.আর সাথে কিভাবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ফর্সা হবেন সেটাই ঢালবে আজকের এই আর্টিকেল এ .তো চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক.


পাঠক বৃন্দ আপনারা স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায় জানতে  চান তাহলে আর্টিকেল টি আপনাদের কে শুরু থেকে শেষ প্রান্ত পড়তে হবে। আপনারা কখন কোন ক্রিম এর এর নাম ছেড়ে যাবেন খেয়াল করতে পারবেন না।আর আর্টিকেল টি শুরু থেকে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পড়া অতিব জরুরি কারণ আপনারা যদি ক্রিম এর নাম শুনে ভুল করে ক্রিম ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু আপনার ত্বক পুড়ে যেতে পারে।এই পোস্ট টি পড়লে আশা করি আপনারা অনেক  উপকৃত হবেন।তো চলুন আর বেশি কথা না বাড়িয়ে আজকের টপিক"স্থায়ী ফর্সা হওয়ার উপায়'' নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক।


স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম


স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার নাইট ক্রিম বাংলাদেশ এ ফর্সা হবার জন্য হাজার হাজার ক্রিম এভেইলেবল আছে  কিন্তু আপনি আমাদের আর্টিকেল টি পড়তে এসেছেন নিশ্চই সেই হাজারটি ক্রিম থেকে ভালো ক্রিম টি  খুঁজে পাওয়ার জন্য।আপনাদেরকে একটি সত্য কথা বলতে গেলে কি নাইট ক্রিম আপনার মুখ কে শরীরের বিভিন্ন অংশকে ফর্সা করে দিতে পারবে‌।তার  আগে জেনে নেই যে বাংলাদেশের প্রচলিত নাইট ক্রিম গুলো কি কি?




নাইট  ক্রিম ব্যবহারের উপকারিতা:


ত্বকের যত্নের নিয়মিত অংশ হিসেবে নাইট ক্রিম ব্যবহার করার বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে।

১. ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে:

রাতের বেলায় ত্বক প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্রতা হারায়। নাইট ক্রিম ত্বকে একটি প্রতিরক্ষামূলক বাধা তৈরি করে যা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

ফলস্বরূপ, ত্বক সকালে নরম, মসৃণ এবং হাইড্রেটেড বোধ করে।


২.কিছু নাইট ক্রিম নির্দিষ্ট ত্বকের সমস্যা, যেমন ব্রণ, হাইপারপিগমেন্টেশন, বা শুষ্ক ত্বকের চিকিৎসা করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

৩.একটি নাইট ক্রিম আপনার মুখকে কয়েকদিনের মধ্যেই ফর্সা করে দিতে পারে।


নাইট ক্রিম অপকারিতা:

নাইট ক্রিমের যতগুলো উপকারিতা রয়েছে তার দ্বিগুন অপকারিতা।নিচে কয়েকটি অপকারিতা দেওয়া হলো:


ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং অ্যালার্জি:


সকল ত্বকের সাথে সকল নাইট ক্রিম খাপ  খায়না। কিছু লোকের ত্বকে নাইট ক্রিমের উপাদান  এলার্জিক সমস্যা করতে পারে.


 

২ কিছু নাইট ক্রিম ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করে ফেলতে পারে, যার ফলে ব্রণ এবং কমেডো (blackheads) হতে পারে।আপনারা হয়তো জানেন না যে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে গেলে আপনার ভিতরের সকল ময়লা বেরিয়ে আসতে পারেনা যার ফলে আপনার মুখ এ ব্রণ উঠা শুরু করে এবং ব্রণের পুঁজের সাথে ময়লা বেরিয়ে আসে‌।


নাইট ক্রিমের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সম্পর্কে  অনেক কিছুই অজানা। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে কিছু নাইট ক্রিমে থাকা রাসায়নিক পদার্থ ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এবং এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

তাই আপনাদের উচিত সাবধানতার সাথে নাইট ক্রিম ব্যবহার করা।


ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম:

বাজারে বিভিন্ন ধরণের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি  ক্রিম পাওয়া যায়।এই ক্রিমগুলোতে বলবিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক উপাদান থাকে যেগুলো আপনার ত্বকেকে একটু হালকা করতে সাহায্য করে।এই ক্রিম গুলো ব্যবহার করলে আপনার মুখের বা শরীরের কালো কালো ভাবটা অনেকাংশই কমে যাবে ইনশাল্লাহ।নিচে কয়েকটি ডাক্তারি ফর্সা হওয়ার ক্রিম নিয়ে আলোচনা করা হলো:


হাইড্রোকুইনন হলো একটি ডাক্তারি ফর্সা হওয়ার জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি ক্রিম.হাইড্রোকুইনন ক্রিম আপনার ত্বকের কোষ গুলোতে মেলানিন উৎপন্ন করা বন্ধ করে দেয় আর মেলানিন হলো এমন এলটি পদার্থ যেটি আমাদের শরীরের কোষ  এ থেকে আমাদের দেহে রং দিয়ে সাহায্য করে.

এরকম আরো অনেকধরণের ক্রিম রয়েছে যেমন :কোজিক অ্যাসিড।কোজিকে অ্যাসিড ছত্রাক থেকে তৈরী করা হয় যা একই কাজ করে।লিঙ্গোবেরিক অ্যাসিড: এটি একটি উদ্ভিদ থেকে তৈরি একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা মেলানিন উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে

ডাক্তারি ক্রিম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা :

হাইড্রোকুইনন দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার করলে এটি ত্বককে  নীলচে কালো রঙ (ochronosis) সৃষ্টি করতে পারে।

কোজিক অ্যাসিড: এটি গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে।


ত্বক ফর্সা করার ক্রিম ব্যবহার করার নিয়ম:

আপনাদের অনেকেই চিন্তা করতে পারেন যে ত্বক ফর্সা করার ক্রিম কিভাবে ব্যবহার করব।এই ক্রিম গুলো দিনের সময় ভুলেও ব্যবহার করবেন না কেননা দিনের সময় বাড়ির বাইরে এলে সূর্যের তাপ লাগলে আপনার ত্বক  এমনিতেই পুড়ে লাল হয়ে যেতে পারে।মুখ ফর্সা করার ক্রিম ব্যবহারের সঠিক সময় হলো যেকোন আপনে টানা ৫ -৬ ঘন্টা বাড়ির ভেতরে থাকবেন অর্থাৎ বাড়ির বাইরে যাবেন না।এছাড়াও আপনারা রাতে ঘুমানোর আগে এই ক্রিম গুলো ব্যবহার করতে পারেন.এক্ষেত্রে আপনার কোনো সমস্যা হবে না।


প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে যেভাবে মুখ ফর্সা করতে পারেন:

প্রাকৃতিকভাবে মুখ ও দেহের অন্যান্য অংশ ফর্সা করার জন্য লেবু,দই,চন্দন,হলুদ,মধু ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।এগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে কিছু কিছু ধাপ মেনে চলতে হবে।মুখে লেবু লাগবেন কারণ লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকার কারণে  এটা আপনার মুখের মরা  চামড়া কে উঠাতে  সাহায্য করে।মুখে দই দিয়ে কমপক্ষে ২০ মিনিট রাখবেন এতে আপনার মূল্যের খসখসে চামড়া নিমিষেই উঠেযাবে।

আর তার সাথে প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন।এতে একসময় দেখবেন যে আপনার কালো মুখ এমনিতেই লাইটিং দিচ্ছে।


লেখকের শেষ কথা

আমি আপনাদের যতদূর পেরেছি আশা  করি একটি ভালো ধারণা দিতে পেরেছি।আমাদেরকে একজন সৃষ্ট্রিকর্তা তৈরী করেছেন তাই তিনি আমাদের কারো দেহের বর্ণ কালো আবার কারো ধবল সাদা করেছেন এতে আমাদের মন খারাপ করার দরকার নেই। উপরের ক্রিমগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে  অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করবেন।মানুষের ত্বকের রং পরিবর্তন করা এতটাও সহজ নয় যেমনটা আমারা মনে করি ।আপনি যদি পারেন তো এত টাকা করছি না করে একজন ভালো ডাক্তারকে দেখাতে এতে আপনিও মনের শান্তি পাবেন।তো আজকে এই  পর্যন্তই সবাই ভালো  থাকবেন সুস্থ থাকবেন।ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য।




Post a Comment

0 Comments